ads

ফেসবুক পেজ ডাউন: অ্যালগরিদম নয়, আপনি নিজেই পেজের রিচ কমাচ্ছেন

শখের ফেসবুক পেজে গতকাল ৫০ হাজার ভিউ, আজ ৫০০, কী হলো ভাই? 

facebook-page-reach-down.jpg

একটা সময় ছিল পোস্ট দিলেই লাইক আসত। কমেন্ট আসত। শেয়ার আসত। রিলস ছাড়লে ভিউ উঠত হাজার হাজার। আর এখন? পোস্ট দিলেন। ৫ মিনিট গেল। ১০ মিনিট গেল। ৩০ মিনিট গেল। এক ঘণ্টা পর নিজের পোস্টে ঢুকে দেখলেন ভাই… ১৭টা ভিউ! এর মধ্যে আবার ৫টা আপনি নিজেই দেখেছেন। তখন মাথায় প্রথম যে কথাটা সেটা হলো ফেসবুক পেজ ডাউন হয়ে গেলো নাকি! 

অনেক পেজ মালিকের এমন অবস্থা হয়। কেউ বলেন ফেসবুক পেজ ডাউন। কেউ বলেন রিচ মরে গেছে। কেউ বলেন অ্যালগরিদম রাগ করেছে। আবার কেউ ৩ দিন পোস্ট বন্ধ রেখে অপেক্ষা করেন Facebook নিজে থেকে ঠিক করে কি না!

কিন্তু আসল ব্যাপারটা একটু অন্যরকম। পেজের রিচ কমে যাওয়ার পেছনে শুধু Facebook দায়ী নয়। অনেক সময় আমাদের নিজের কিছু ভুলও থাকে। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রিচ কমলেই আমরা সমস্যাটা খুঁজি না, বরং নতুন নতুন ভুল করা শুরু করি। আজকে সেটাই একটু খোলাসা করবো আপনাদের ব্রোহ আফিয়া…হে হে! 

ফেসবুক পেজ ডাউন মানেই কি পেজ শেষ?

না! একটা পেজের রিচ কমে যাওয়া আর পেজ বন্ধ হয়ে যাওয়া এক কথা নয়। ধরুন আপনার ৩০ হাজার ফলোয়ার আছে। আগে পোস্টে ১০ হাজার মানুষ দেখত। এখন দেখছে ৫০০ জন। আপনি ভাবলেন আমার ৩০ হাজার ফলোয়ার গেল কোথায়!

আসলে ফলোয়ার সবাই প্রতিদিন আপনার পোস্ট দেখে না। কেউ Facebook-এ ঢোকে না। কেউ অন্য ধরনের ভিডিও দেখে। কেউ আপনাকে follow করে রেখেছে, কিন্তু আপনার পোস্ট দেখলে স্ক্রল করে চলে যায়। তাছাড়া Facebook-ও প্রতিটি পোস্ট আপনার সব ফলোয়ারের সামনে একসঙ্গে শো করবে না। তাই ফলোয়ার ৩০ হাজার মানেই রিচ ৩০ হাজার এই হিসাব ভুল।

ফেসবুক পেজ ডাউন হওয়ার আগে যে লক্ষণগুলো দেখা যায়

পেজে সমস্যা হলে কয়েকটা জিনিস খেয়াল করতে পারেন। যেমন:

১. আগে রিলসে ২০ হাজার ভিউ আসত। এখন ২ হাজার।

২. আগে পোস্টে ৫০০ লাইক আসত। এখন ৩০।

৩. আগে ১০০ জন কমেন্ট করত। এখন ৩ জন।

৪. আগে প্রতিদিন নতুন ফলোয়ার আসত। এখন ফলোয়ার বাড়ে এমনভাবে, যেন তারা বাসে উঠে মাঝপথে নেমে গেছে! 

মনে রাখবেন একটা-দুইটা পোস্ট এমন হতেই পারে। কিন্তু যদি ২ থেকে ৪ সপ্তাহ ধরে প্রায় সব পোস্টেই একই অবস্থা থাকে, তখন ব্যাপারটা একটু খতিয়ে দেখা দরকার।

আসল কথা হচ্ছে Facebook কি আপনার পোস্ট মানুষকে দেখাচ্ছে কিনা!  এই জায়গাটাই আগে বুঝতে হবে। আপনি পোস্ট দিলেন। Facebook সেটি কতজনের সামনে দেখাল? তারপর যারা দেখল, তারা কী করল? পোস্ট দেখে চলে গেল? নাকি থামল? লাইক দিল? কমেন্ট করল? বন্ধুকে পাঠাল? এই আচরণগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ Facebook-এর কাছে আপনার পোস্ট শুধু পোস্ট না। এটা একটা টেস্ট! মানুষ আগ্রহ দেখালে পোস্ট আরও মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগ পায়। মানুষ বারবার দেখেও পাত্তা না দিলে রিচ কমে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। সহজ ভাষায় মানুষ যদি আপনার পোস্ট দেখে মনে মনে বলে পরে দেখবো সেই পরে অনেক সময় আর আসে না। 

ফেসবুক পেজ ডাউন হওয়ার সবচেয়ে কমন কারণ

আপনার কনটেন্ট একঘেয়ে: এটা খুব সত্যি কথা। আমরা নিজের পোস্টকে যতটা interesting ভাবি, দর্শক সবসময় ততটা ভাবে না। ধরুন আপনার পেজে প্রতিদিন motivational পোস্ট। সকালে “হাল ছাড়বেন না।” দুপুরে “স্বপ্নের জন্য লড়াই করুন।” রাতে আবার “একদিন আপনি সফল হবেন।” এদিকে একই কথা বারবার দিলে মানুষ বিরক্ত হয় বরাবরই! তাই শুধু পোস্ট দিলেই হবে না। কীভাবে বলছেন, কী উদাহরণ দিচ্ছেন, কী নতুন কথা বলছেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার পোস্টের শুরুটা কেমন: একটা কথা মনে রাখবেন সবসময়! Facebook-এ মানুষ আপনার পোস্ট পড়তে বসে থাকে না। সে স্ক্রল করছে একটা ভিডিও…তারপর আরেকটা। তারপর আপনার পোস্ট। তারপর আবার আরেকটা। এই ভিড়ের মধ্যে আপনার পোস্ট যদি শুরুতেই তাকে না থামাতে পারে, সে চলে যাবে। তাই “আজকে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব…”এই ধরনের হুক দেওয়া বাদ দিন! নতুন কিছু ট্রাই করুন। 

একই জিনিস কপি-পেস্ট: এই রোগটা অনেক পেজে আছে। অন্য পেজে একটা পোস্ট ভাইরাল হয়েছে? সঙ্গে সঙ্গে কপি। ওখানে একটা রিলস ভাইরাল…ডাউনলোড। তারপর নিজের লোগো বসিয়ে পোস্ট আর লেখা “আমাদের নিজস্ব কনটেন্ট।” ভাই, লোগো বসালেই কনটেন্ট নিজের হয়ে যায় না! মানুষও বোঝে। একই ভিডিও ৫টা পেজে দেখলে দর্শক ভাববে আচ্ছা, আসলটা কোনটা? তাই এসব ভুগিচুগি বাদ দিয়ে আপনার নিজের কথা বলুন। নিজের অভিজ্ঞতা বলুন। নিজের ভাষায় একটা বিষয় ব্যাখ্যা করুন। এতে হয়তো শুরুতে কম ভিউ আসবে। কিন্তু ধীরে ধীরে মানুষ আপনাকে চিনবে।

শুধু পোস্টের সংখ্যা বাড়ানো: পেজ ডাউন বা রিচ কমে গেলে অনেকে তখন দিনে ২টা পোস্ট থেকে ১২টা পোস্টে চলে যান। সকাল ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পোস্ট! একসময় অডিয়েন্স ভাববে ভাই, একটু পানি খাওয়ার সময় দেন! মানে বিরক্ত হয়ে যাবে! তাছাড়া বেশি পোস্ট দিলেই Facebook খুশি হয়ে রিচ বাড়িয়ে দেবে এমন কোনো ম্যাজিকাল নিয়ম নেই। বরং একটা ভালো পোস্ট বানাতে সময় দিন। দিনে ১টা ভালো পোস্ট যদি মানুষকে থামাতে পারে, সেটা ১০টা ফাঁপা পোস্টের চেয়ে অনেক বেশি দামি।

গত ৩০ দিনের পোস্ট খুলে বসুন: আসল রহস্য এখানেই এটা করুন। করুন মানে আজই করুন! আপনার গত ৩০ দিনের পোস্ট চেক করুন! ধরুন পেইজে ৫০টা পোস্ট আছে। তার মধ্যে বের করুন সেরা ১০টা পোস্ট। তারপর…সবচেয়ে খারাপ ১০টা। এখন পাশাপাশি সব জিনিসপাতি মিলিয়ে দেখুন।

আপনার সেরা পোস্টগুলোতে কী ছিল? ইন্টারেস্টিং কোনো ঘটনা, আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা, ভালো কোনো তথ্য, কোনো ঝামেলার সমাধান নাকি কোনো বিতর্কিত বিষয়! তারপর খারাপ পোস্টগুলো দেখুন…সেখানে কী ছিল! শুধু একটা ছবি? অতিরিক্ত বড় লেখা? পুরোনো কোনো কথা নাকি পুরা পোস্টটাই অন্যের কপি? এখানেই আপনার পেজ ডাউনের আসল রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে।

হতে পারে আপনার অডিয়েন্সই বদলে গেছে: এটা একটু অদ্ভুত শোনালেও সত্যি। ধরুন আপনি শুরুতে প্রবাসীদের নিয়ে মজার ভিডিও বানাতেন। সেগুলো দেখে মানুষ আপনাকে follow করেছে। এখন আপনি হঠাৎ রান্নার ভিডিও শুরু করলেন। অডিয়েন্স তখন মনে করবে ভাই, আমরা তো প্রবাসীদের গল্প দেখতে এসেছিলাম! অথবা আপনি শুরুতে পড়াশোনার টিপস দিতেন। হঠাৎ প্রতিদিন প্রেমের কবিতা দিচ্ছেন! আপনার স্টুডেন্ট তখন হয়তো বলবে পরীক্ষা সামনে, ভাই। প্রেম পরে করব!  তাই পেজের টপিক একদিনে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেবেন না। ধীরে ধীরে পরিবর্তন করুন।

পোস্টের কমেন্টগুলো পড়ুন: আপনার পোস্টের কমেন্টে মানুষ আসলে কী বলছে? অনেকে শুধু নিজের পোস্ট দিয়ে চলে যান। কমেন্ট পড়েন না। এটা কিন্তু বিশাল ভুল। কারণ আপনার অডিয়েন্স আপনাকে সরাসরি বলে দিচ্ছে তারা কী চায়। একজন বলল “ভাই, প্রবাস থেকে টাকা পাঠানোর সময় কী কী সাবধানতা দরকার? এই তো! পরের পোস্টের বিষয় পেয়ে গেলেন। আরেকজন বলল “জমি কিনতে গেলে কোন কাগজ দেখতে হয়?” আরেকটা পোস্ট। মানে আপনার অডিয়েন্সই আপনাকে ফ্রি-তে আইডিয়া দিয়ে যাচ্ছে। আপনাকে শুধু কমেন্ট পড়তে হবে। 

ভুয়া ফলোয়ার কিনবেন না: রিচ কমে গেছে। তাই ভাবলেন।১০ হাজার ফলোয়ার কিনে ফেলি। দেখতে সুন্দর লাগবে, সংখ্যা বড় হবে। কিন্তু সমস্যা হলো এই ফলোয়ার আপনার পোস্টে থাকবে না। লাইক দেবে না, কমেন্ট করবে না, শেয়ার করবে না। তখন আপনার পেজ দেখতে হবে এমন মনে হবে…ফলোয়ার ১ লাখ, পোস্টে লাইক ৪৭। অডিয়েন্সও বুঝে যাবে কিছু একটা গোলমাল আছে। তাই সংখ্যার পেছনে না ছুটে আসল অডিয়েন্স তৈরি করুন।

ভুয়া লাইক-কমেন্ট করবেন না: ফেসবুক পেজ ডাউন হলে নিজের অন্য আইডি দিয়ে “অসাধারণ ভাই!” “দারুণ!” “সেরা পোস্ট!” “অনেক সুন্দর!” এভাবে ২০টা কমেন্ট করে লাভ নেই। আপনার পোস্টে সত্যিকারের মানুষ কথা বলছে কি না সেটাই আসল। আর একই কমেন্ট বারবার করলে সেটা আরও অদ্ভুত দেখায়। নিজের পোস্টে নিজেই ১৫ বার “অসাধারণ” লিখে নিজেকে বিশ্বাস করানোর দরকার নেই। 

অতিরিক্ত ড্রামাটিক টাইটেল: “এই খবর জানলে আপনার মাথা ঘুরে যাবে!” “৯৯% মানুষ জানে না!” “এটা দেখার পর আপনি কাঁদবেন!” “শেষ পর্যন্ত না দেখলে জীবন শেষ!” প্রতিদিন এসব দিলে অডিয়েন্স বুঝে যাবে। তাই কৌতূহল তৈরি করুন। কিন্তু মিথ্যা কথা বলে মানুষকে টানবেন না। কারণ একবার মানুষ বুঝে গেলে আপনার পোস্টে বিশ্বাস কমে যাবে।

রিলসের প্রথম কয়েক সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ: রিলসের শুরুটা একদম সোজা রাখুন। যেটা বলতে চান, শুরুতেই বলে দিন। যেমন “ফেসবুক পেজের রিচ হঠাৎ কমে গেলে এই ৩টা জিনিস আগে দেখুন।” 

উপরের বিষয়গুলো নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করা হয়ে গেলে তারপর: 

১. গত ৩০ দিনের পোস্ট দেখুন।

২. কোন ধরনের কনটেন্ট ভালো করছে দেখুন।

৩. পেজে কোনো নিয়মভঙ্গের সমস্যা আছে কি না দেখুন।

ফেসবুক পেজ ডাউন হলে ৩০ দিনের জন্য এই কাজ করুন

এবার একটু সিরিয়াস প্ল্যান দেই! 

প্রথম ৭ দিন

এই সময়টাতে শুধু নিজের পেজকে বুঝুন! গত ৩০ দিনের পোস্ট দেখুন, সেরা ১০টা আলাদা করুন। আবার খারাপ ১০টা আলাদা করুন। কোন বিষয় মানুষ পছন্দ করছে সেটা খুঁজুন।

৮ থেকে ১৪ দিন

এরপর কনটেন্ট ঠিক করুন। প্রতিদিন ১টা ভালো পোস্ট দিন। প্রয়োজনে রিলস দিন। কিন্তু একই জিনিস বারবার দেবেন না। একটু গল্প, একটু তথ্য, একটু হাসি,।একটু বাস্তব অভিজ্ঞতা সবকিছুর মিশ্রণ রাখুন।

১৫ থেকে ২১ দিন

অডিয়েন্সের সঙ্গে কথা বলুন! পোস্টের কমেন্টের উত্তর দিন। প্রশ্ন করুন। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে পোস্ট করুন। তাদের অভিজ্ঞতা জানতে চান। মোটকথা আপনার পেজকে বক্তৃতার মঞ্চ বানাবেন না।

২২ থেকে ৩০ দিন

কাজ যেহেতু শুরু করে দিয়েছেন এবার কোনটা জমছে দেখুন ধরুন আপনি ৪ ধরনের পোস্ট দিলেন। তথ্যভিত্তিক, মজার, বাস্তব গল্প বা টিপস। এখন দেখুন কোনটা বেশি চলছে। যেটা চলছে, সেই ধরনের আরও পোস্ট বানান। তবে একই পোস্ট কপি করবেন না। যেটা কাজ করছে, তার রহস্যটা ধরুন।

ফেসবুক পেজ ডাউন হলে কতদিনে আবার রিচ বাড়বে?

এই প্রশ্নের উত্তর শুনে অনেকেই হতাশ হবেন। কারণ এর কোনো ৭ দিনের গ্যারান্টি নেই। কেউ বলবে ৩ দিন পোস্ট বন্ধ রাখুন। কেউ বলবে ৭ দিন বিরতি নিন। কেউ বলবে রাত ১২টায় পোস্ট দিন। কেউ বলবে ভোর ৫টায় পোস্ট দিলে ভাইরাল।

এসব নিয়ে অতিরিক্ত মাথা ঘামানোর দরকার নেই। আপনার পেজের সমস্যা কী, সেটাই আগে বের করুন। তারপর নিয়মিত ভালো কাজ করুন। কখনো দ্রুত পরিবর্তন আসতে পারে। কখনো সময় লাগতে পারে। মনে রাখবেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ধৈর্যও একটা কনটেন্ট! 

তাহলে ফেসবুক পেজের রিচ বাড়ানোর আসল উপায় কী?

খুব সোজা। মানুষের কাজে লাগে এমন কিছু দিন। মানুষকে হাসান, কোনো সমস্যা সহজ করে দিন, নতুন তথ্য দিন, বাস্তব অভিজ্ঞতা বলুন, নিজের গল্প বলুন। কখনো এমন প্রশ্ন করুন যার উত্তর দিতে মানুষ নিজে থেকেই কমেন্ট করতে চায়।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিজের একটা আলাদা স্টাইল তৈরি করুন। মানুষ যেন পোস্ট দেখেই বলে এইটা অমুক পেজের পোস্ট। সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারলে আপনি শুধু রিচের পেছনে দৌড়াবেন না। মানুষ নিজেই আপনাকে খুঁজবে।

মোটকথা এই সময় মাথা ঠান্ডা রাখুন! গতকাল ৫০ হাজার ভিউ এসেছে, আজ ৫০০। এটা দেখে মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর মানে এই নয় যে আপনার পেজ শেষ। একটা পেজের ওঠানামা থাকবেই। আজ ভাল, কাল খারাপ। পরশু আবার বুম! 💥

তাই প্রথমে গত ৩০ দিনের হিসাব দেখুন। সেরা ১০টা পোস্ট দেখুন। খারাপ ১০টা পোস্ট দেখুন। অডিয়েন্সের কমেন্ট পড়ুন। কোন বিষয় মানুষ পছন্দ করছে বুঝুন। তারপর পরবর্তী ৩০ দিন একটু গুছিয়ে কাজ করুন। ভুয়া ফলোয়ার নয়, ভুয়া লাইক নয়, অন্যের কপি নয়, ফাঁপা হাইপ নয়।

নিজের কথা + নিজের স্টাইল + মানুষের কাজে লাগে এমন কনটেন্ট দিন! 

আর একটা কথা মনে রাখবেন ভিউ কমেছে বলে পেজকে মৃত ঘোষণা করবেন না। Facebook-এ অনেক পেজ এমনভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে যে গতকাল যেখানে ৫০০ ভিউ ছিল, কিছুদিন পর সেখানেই লাখ লাখ ভিউ এসেছে। তাই এখনই আমার পেজ শেষ বলে কান্নাকাটি বন্ধ করুন। 

আগে চা খান। তারপর Insights খুলুন, তারপর কাজ শুরু করুন। সবশেষে কাজ হলে আমার ট্রিট পাঠিয়েন দেবেন কুরিয়ারে….[ধন্যবাদ তো আপনি দিবেন ভাই]

✍️ সুলতানা আফিয়া তাসনিম

Previous Post Next Post

{ads}